JSON Web Token (JWT) — Create and Use in ASP.NET Core (API Calling)

 


Below is an example of creating and using JWT auth token using ASP.NET Core Web API.

What is JSON Web Token?

JSON Web Token (JWT) is an open standard that defines a compact and self-contained way for securely transmitting information between parties as a JSON object. This information can be verified and trusted because it is digitally signed. JWTs can be signed using a secret (with the HMAC algorithm) or a public/private key pair using RSA or ECDSA.

Although JWTs can be encrypted to also provide secrecy between parties, we will focus on signed tokens. Signed tokens can verify the integrity of the claims contained within it, while encrypted tokens hide those claims from other parties. When tokens are signed using public/private key pairs, the signature also certifies that only the party holding the private key is the one that signed it.

How to Setup Token :

Open Startup.cs Class. At Method ConfigureServices add below code :

Code :




var tokenHandler = new JwtSecurityTokenHandler();

var key = Encoding.ASCII.GetBytes(_appSettings.Secret);

var tokenDescriptor = new SecurityTokenDescriptor

{

Subject = new ClaimsIdentity(new Claim[]

{

new Claim(ClaimTypes.Name, user.UserInfoId.ToString())

}),

Expires = DateTime.UtcNow.AddDays(7),

SigningCredentials = new SigningCredentials(new SymmetricSecurityKey(key), SecurityAlgorithms.HmacSha256Signature)

};

var token = tokenHandler.CreateToken(tokenDescriptor);

user.Token = tokenHandler.WriteToken(token);

Image for post

How to Create Token :


var tokenHandler = new JwtSecurityTokenHandler();

var key = Encoding.ASCII.GetBytes(_appSettings.Secret);

var tokenDescriptor = new SecurityTokenDescriptor

{

Subject = new ClaimsIdentity(new Claim[]

{

new Claim(ClaimTypes.Name, user.UserInfoId.ToString())

}),

Expires = DateTime.UtcNow.AddDays(7),

SigningCredentials = new SigningCredentials(new SymmetricSecurityKey(key), SecurityAlgorithms.HmacSha256Signature)

};

var token = tokenHandler.CreateToken(tokenDescriptor);

user.Token = tokenHandler.WriteToken(token);

});

How to Use Token :

Image for post

 

Happy Coding...

আমরা যা করি আর মানুষ যা ভাবে।

একবার এক বাপ নিজের ছেলের সাথে দেখা করতে শহরে এলো । গিয়ে দেখলো, তার #ছেলের সাথে একটা খুব সুন্দরী মেয়েও থাকে।
রাতে তিন জন যখন এক সাথে ডিনার টেবিলে বসলো, #বাবা জিজ্ঞেস করলো-- তোর্ সাথে এই মেয়েটি কে রে ?
#ছেলে বলল- বাবা, ও আমার রুম পার্টনার, আমার সাথে থাকে . . . তুমি এটা নিয়ে কী ভাবছ, সেটা আমি জানি। কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে সে রকম কোন সম্পর্কই নেই। আমাদের দুজনের আলাদা আলাদা কামরা, আলাদা আলাদা বেড | আমরা দু'জন শুধু খুব ভাল বন্ধু।
বাপ বলল- ঠিক আছে…
পরের দিন বাপ নিজের গ্রামে চলে গেল......... এক সপ্তাহ পর...
#মেয়েটি ছেলেটিকে বলল --শোনো, গত রবিবার তোমার বাবা যে প্লেটে ডিনার করেছিলেন, ওই প্লেটটা খুঁজে পাচ্ছি না, আমার সন্দেহ তোমার বাবাই এটা নিয়ে গেছেন।
ছেলেটি রেগে গিয়ে বলল-- শাট আপ.. . এসব কী কথা, তুমি কি আমার বাবাকে চোর বলছো ?
#মেয়েটি বলল- তা না | কিন্তু, তুমি একবার তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করেই দেখো না, জিজ্ঞেস করতে আপত্তি কিসের?
#ছেলেটি বলল- OK, আমি জিজ্ঞেস করব...
পরদিন ছেলে বাপকে একটা ই-মেল পাঠালো..তাতে লিখলো--আমি এটা বলছি না যে আপনি আমাদের প্লেটটা চুরি করে নিয়ে গেছেন, অথবা এটাও বলছি না যে আপনি প্লেটটা নিয়ে যাননি ... মানে, যদি ভুলবশতঃ আপনি প্লেটটা নিয়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে ওটা ফেরত দিয়ে দেবেন কারণ, ওটা ওই মেয়েটির খুব পছন্দের প্লেট ।
ইতি,
আপনার #ছেলে |
এক ঘন্টা পরই বাবার জবাব এলো-- আমি এটা বলছি না যে তোর্ রুম পার্টনার রাতে তোর্ সাথে ঘুমায় আবার এটাও বলছি না যে ওই মেয়েটি রাতে তোর্ সাথে ঘুমায় না | তবে ওই মেয়েটি যদি পুরো সপ্তাহের মধ্যে একবারও তার নিজের রুমে, নিজের বেডে শুতে যেত, তাহলে ওর বালিশের নিচেই সে তার প্লেটটা পেয়ে যেত, কারণ প্লেটটা আমি ওখানেই লুকিয়ে রেখে এসেছিলাম

ইতি

তোর #বাপ ।
😀😀😀😀😀

আমরা নিজেকেই ফাঁকি দিচ্ছি না তো! Bangla motivational story



🍑এক রাজা এবং তিন মন্ত্রীর গল্প 🍓🍓🥝🍅🍏
(শিক্ষনীয় পোষ্ট) 
একবার এক রাজা তার তিন মন্ত্রীকে ডেকে বললেন, এই নাও তোমাদের একটা করে খালি বস্তা দিলাম। তোমাদের কাজ হবে বনে গিয়ে বিভিন্ন ফল কুড়িয়ে এই বস্তা ভরে নিয়ে আসবে, দেখি কে কত তাড়াতাড়ি বস্তা পূর্ণকরে নিয়ে আসতে পার । তিন জন চলে গেল জংগলে ।
🧒👦১ম মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা বলেছেন তাই ভালো ভালো ফল কুড়িয়ে বস্তা পূর্ণ করি এবং সেই মত জঙ্গলের ভালো ফল দিয়ে বস্তা ভরে ফিরে আসল।
🧒🧑২য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা তো সব ফল দেখবেন না তাই হাবিজাবি পচা ফল দিয়ে সে নীচের দিকে পূর্ণ করে, উপরের দিকে শুধু কিছু ভালো ফল দিয়ে বস্তা পূর্ণ করলো এবং ফিরে আসল।
🧑👦৩য় মন্ত্রী চিন্তা করলো , রাজার এত সময় কোথায় বস্তা খুলে খুলে দেখবে, সে শুধু দেখবে বস্তা পূর্ণ হয়েছে কিনা । জঙ্গলে মরা পাতা,ঘাস, কাঠ দিয়ে বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে এলো।
তিন মন্ত্রী রাজার দরবারে হাজির, রাজা সবার বস্তা পূর্ণ দেখে খুশী হলেন । তিনি বস্তাগুলো খুলেও দেখলেন না। ৩য় মন্ত্রি নিজের বুদ্ধির কথা চিন্তা করে নিজেকে বেশ বুদ্ধিমান মনে করতে লাগলো।
রাজা একটু সময় নিয়ে তার মসনদে বসলেন এবং ঘোষণা করলেন, এই তিন মন্ত্রীদের তাদের বস্তা সহ ৭ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হোক এবং প্রত্যেক জনকে তিনটা আলদা আলদা কক্ষে রাখা হোক । এই সাত দিন তাদের কোন প্রকার খাবার দেয়া যাবে না ।
যে কথা সেই কাজ, তিনজনকেই কারাগারে পাঠানো হোল।
১ম মন্ত্রী এই সাত দিন তার বস্তার ফল গুলো খেয়ে কাটিয়ে দিলেন।
২য় মন্ত্রী তার যত ভালো ফল ছিল ২ দিন খেতে পারলো, বাকী দিন পচা ফল খেয়ে কাটানোর চেষ্টা করলো কিন্তু তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন।
৩য় মন্ত্রীর বস্তায় কোন ফল ছিলোনা তাই তিনি না খেতে পেরে কারাগারেই মারা গেলেন।
🌷এই গল্পের শিক্ষণীয় বিষয় হোল - 
যদি আমরা ফাকি না দিয়ে সঠিক ভাবে শিখে, পড়ালেখা করে বড় হই তবে এর ফল আমরা যখন কর্মক্ষেত্রে যাবো তখন ভোগ করতে পারবো ।


সর্বাবস্থায় রাগ পরিহার করুন।

————————————————————-
সদ্য কেনা নতুন গাড়ীটা যখন পরিষ্কার করছিলাম তখন আমার ছয় বছরের ছেলেটা ধাতব কিছু দিয়ে গাড়ীটাতে কিছু লিখছিল । খুব শখের গাড়ী তাই রাগ সামলাতে না পেরে লিখা অবস্হায় ছেলের হাতের উপর আঘাত করলাম । রাগের মাথায় খেয়াল করেনি যা দিয়ে আঘাত করেছি সেটা ছিল লোহার একটা পাইপ!
আমার ছোট্ট ছেলেটা হাসপাতালের বেডে শুয়ে ঘুমাচ্ছিল আর আমি ওর পাশে বসে কাঁদছি । লোহার আঘাতে চারটা আঙুল ভেঙে গেছে। আর ঠিক হবে না কখনও । আমার চোখের পানি ওর গালের উপর পড়ে ঘুম ভেঙে যায় ওর । ব্যান্ডেজ করা হাতের দিকে চেয়ে আমায় বলে 'সরি বাবা, আমি আর গাড়ীর উপর লিখব না । আমার আঙুলগুলো কি আবার ফিরে পাব-বাবা?'
বাসায় ফিরে পুরো গাড়ীটা দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে ফেলি । তারপর ক্লান্ত হয়ে বসে পড়ি । আমার চোখ পড়ে গাড়ীর গায়ে ছেলের লিখাটার উপর-' Love u Dad ' !
পরদিন সকালে সেই হতভাগ্য বাবা  ভীষণ কষ্টে আত্মহত্যা করেন। তার নিথর দেহের পাশে একটা চিরকুট পড়ে ছিল।

তাতে লেখা ছিল :
'Anger & love have no limits. The choice is yours!'

সর্বাবস্থায় রাগ পরিহার করুন। অশান্ত না হয়ে একটু ধৈর্য ধরুন। যেন এভাবে সুন্দর জীবন গুলো হারিয়ে না যায়।

একজন ব্যক্তি ছিলেন যাঁর ছিল চার পুত্র। তিনি চাইছিলেন যে তাঁর পুত্ররা সবকিছু খুব দ্রুত বিচার না করতে শিখুক। সুতরাং তিনি তাদের প্রত্যেককে, পালাক্রমে, বহু দূরের একটি নাশপাতি গাছ দেখার জন্য একটি অনুসন্ধান অভিযানে প্রেরণ করলেন। প্রথম পুত্রটি শীতকালে গেল, দ্বিতীয় পুত্র বষন্তকালে গেল, তৃতীয় পুত্র গ্রীষ্মকালে গেল এবং সবচেয়ে ছোট পুত্র শরৎকালে গেল।
যখন তাদের সবাই গেল এবং ফিরে এল, তিনি তাদেরকে একসাথে ডাকলেন তারা কী দেখেছে তা বর্ণনা করার জন্য। প্রথম পুত্র বলল যে গাছটি ছিল কুৎসিত, কুঁজো ও পাকানো। দ্বিতীয় পুত্রটি বলল যে, “না, এটি সবুজ কুঁড়িতে ঢাকা ছিল এবং প্রতিশ্রুতিময় ছিল।” তৃতীয় পুত্র দ্বিমত পোষন করল; সে বলল যে এটি ফুলে ভরা ছিল যার সুবাস এত মিষ্ট ও দেখতে এত সুন্দর ছিল যে এটি তার দেখা সর্বাপেক্ষা সুন্দর জিনিস ছিল। সর্বশেষ পুত্র তাদের সবার সাথেই দ্বিমত পোষন করল; সে বলল যে এটি ছিল পরিপক্ক ও ফলের ভারে অবনত, পরিপূর্ণতা ও জীবনীশক্তিতে টইটম্বুর।
লোকটি তখন তার পুত্রদেরকে ব্যাখ্যা করল যে তারা সবাই সঠিক ছিল, কারন তাদের প্রত্যেকে গাছটির জীবনের কেবলমাত্র একটি ঋতুই দেখেছে। তিনি তাদেরকে বললেন যে তোমরা কোন গাছ বা কোন ব্যক্তিকে কেবলমাত্র একটি ঋতু দিয়েই বিচার করতে পার না, এবং তাদের পরিচয়ের মর্ম, উক্ত জীবন হতে যে আনন্দ, সুখ ও প্রেম আসে তা কেবলমাত্র সর্বশেষেই পরিমাপ করা যায় যখন সকল ঋতু শেষ হয়ে যায়।
যদি তুমি শীতকালে হাল ছেড়ে দাও, তবে তুমি বষন্তের প্রতিশ্রুতি, গ্রীষ্মের সৌন্দর্য্য, ও শরতের পরিপূর্ণতা লক্ষ্য করতে ব্যর্থ হবে। একটিমাত্র ঋতুর কষ্ট দ্বারা বাকী সকল ঋতুর আনন্দকে ধ্বংস হতে দিওনা। কেবলমাত্র একটি কষ্টকর ঋতু দ্বারা জীবনকে বিচার কোর না। কষ্টকর অংশগুলোতে অধ্যাবসায়ের সাথে এগিয়ে যাও এবং কিছু সময় পর বা পরবর্তীতে নিশ্চিতভাবেই উত্তম সময় আসবে।
.
collected

তুমি কি আমার ছিলে? কবিতা

তুমি কি আর আমার ছিলে?
যখন ছিলে
তখনও কি আমার ছিলে?
বৃষ্টি ঝরা ভর দুপুরে
যখন তুমি
নিথর আমার হাতটি ধরে
ভিজতেছিলে অঝর ধারায়
তখনও কি আমার ছিলে?
তখন তোমার চোখের ভাষায়
অন্য কোনো স্বপ্ন আশা
অন্য কোনো অবগাহন
যদিও তখন
হাত দুটো যে
শক্ত করেই ধরেছিলে
তবুও কি আমার ছিলে?
যখন তুমি বেঘোর ঘুমে
মুখটি এনে আলতো করে
আমার বুকে গুজেছিলে
তখনও কি আমার ছিলে?
যখন তোমার নখের ক্ষতে
ছিন্ন ভিন্ন আমার শরীর
লেপ্টে যাওয়া
কাজল ও টিপ
তখনও কি আমার ছিলে?
তুমি কি আর আমার ছিলে?
যখন ছিলে
তখনও কি আমার ছিলে?
কখনও কি আমার ছিলে?

কবিতা

ব্যস্ততা আমারো আছে,
তবু সারাদিনের কাজ শেষে
নিজের একান্ত মুহূর্তটাতে
জানতে ইচ্ছে হয় -
তুমি কেমন আছো?
ক্লান্তি আমারো লাগে,
তবু হাজারো ক্লান্তির পরেও
দেখতে ইচ্ছে হয় -
তোমায় নিয়ে লেখা
উপাখ্যানটার কতোদূর হলো?
অভিমান আমারো হয়,
তবু সব ভুলে গিয়ে অন্তরালে
ফোনটা হাতে নিয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়
তোমার কোনো ফোন কল অথবা
এস এম এস যদি পাই।
অভিযোগ আমারো আছে,
তবু আমি এটাই ভাবি
প্রানের চেয়ে প্রিয় মানুষটাকে
নিয়ে কার কাছে অভিযোগ চাই?
শুধু নেই যেটা তা হলো - অনুশোচনা;
সত্যি আমার কোনো অনুশোচনা নেই,
কোনো আফসোস নেই,
নেই কারণ- তোমাকে ভালোবাসার
কোনো কমতি নেই।
আমি মন ভরে আমার সবটুকু দিয়ে
তোমাকে ভালোবেসেছিলাম,
তাই নিজের আয়নায় নিজের কাছে
নিজে নিরেট স্বচ্ছ,
আর তোমার যে প্রতিচ্ছবিটি
সেটা অনেকটা ঝাপসা আর অস্পষ্ট!

ভালবাসার শেষ পরিনতি

“একটা মেয়ে তার bf কে জিজ্ঞেসা
করলোঃ
--আচ্ছা অন্য কারো সাথে আমার বিয়ে
হয়ে গেলে তুমি  কি করবে?
--ছেলেটা উত্তর দিলো, ভুলে যাবো
ছেলেটার উত্তর শুনে মেয়েটি রাগে
অন্যদিকে মুখ ঘোরালো।

ছেলেটি আবার বললঃ
--তুমিও আমাকে ভুলে যাবে, এটা সবচেয়ে
বড় কথা। আমি যত দ্রুত তোমাকে ভুলে
যাবো। তার চেয়েও বেশি দ্রুত
তুমি আমাকে ভুলে যাবে।

প্রেমিকা প্রশ্ন করলোঃ
--কি রকম?
ছেলেটি বলতে শুরু করলঃ
"মনে করো বিয়ের প্রথম তিনদিন তুমি এক
ধরনের ঘোরের মধ্যে থাকবে। শরীরে
গয়নার ভার, মুখে মেকআপ এর প্রলেপ,
চারেদিক থেকে ক্যামেরার ফ্লাশ,
মানুষের ভিড়। তুমি চাইলেও তখন আমার
কথা মনে করতে পারবে না। ''আর আমি তখন
তোমার বিয়ের খবর পেয়ে হয়ত কোন বন্ধুর
সাথে উল্টাপাল্টা কিছু খেয়ে পরে
থাকবো। আর একটু পর পর তোমাকে
হৃদয়হীনা বলে
গালি দিবো। আবার পরক্ষনেই পুরাতন
স্মৃতির কথা মনে করে বন্ধুকে জড়িয়ে ধরে
কাঁদবো। "বিয়ের পরের দিন তোমার আরো
ব্যস্ত সময় কাটবে। স্বামী আর মিষ্টির
প্যাকেট, এই দুটো হাতে নিয়ে তুমি
বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাসায় ঘুরে
বেড়াবে।

আমার কথা তখন তোমার হঠাৎ হঠাৎ মনে
হবে। এই যেমন স্বামীর হাত ধরার সময়, এক
সাথে রিক্সায় চড়ার সময়। আর আমি তখন
ছন্নছাড়া হয়ে ঘুরে বেড়াব। আর বন্ধুদের
বলবো, বুঝলি দোস্ত, জীবনে প্রেম
ভালোবাসা কিছুই নাই। "পরের একমাসে
তুমি হানিমুনে যাবে, নতুন বাসা পাবে,
শপিং, ম্যাচিং,শত প্লান, আর স্বামীর
সাথে হালকা মিষ্টি ঝগড়া। তখন তুমি
বিরাট সুখে,
হঠাৎ আমার কথা মনে হলে ভাববে, আমার
সাথে বিয়ে না হয়ে বোধ হয়
ভালোই হয়েছে। আমি ততদিনে বাপ, মা,
বন্ধু কিংবা বড় ভাইয়ের ঝাড়ি খেয়ে
মোটামোটি সোজা হয়ে গিয়েছি।
ঠিক করেছি কিছু একটা করতে হবে,
তোমার চেয়ে একটা সুন্দরী মেয়ে বিয়ে
করে
তোমাকে দেখিয়ে দিতে হবে।

সবাইকে বলবো, তোমাকে ভুলে গেছি।
কিন্তু তখনও মাঝরাতে তোমার
এসএমএসগুলো বের করে পড়বো আর
দীর্ঘশ্বাস ছাড়ব। "পরের দুই বছর পর তুমি
আর কোন প্রেমিকা কিংবা
নতুন বউ নেই। মা হয়ে গিয়েছো।
পুরাতন প্রেমিকের স্মৃতি, স্বামীর আহ্লাদ,
এসবের চেয়েও বাচ্চার ডায়াপার, পিটার
এসব নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকবে।

অর্থাৎ তখন আমি তোমার জীবন থেকে
মোটামুটি পারমানেন্টলি ডিলিট হয়ে
যাবো। এদিকে আমিও একটা কাজ পেয়েছি।
বিয়ের কথা চলছে। মেয়েও পছন্দ হয়েছে।
আমি এখন ভীষণ ব্যাস্ত।

এবার সত্যিই আমি তোমাকে ভুলে
গিয়েছি।শুধু রাস্তা ঘাটে কোন কাপল দেখলে
তোমার কথা মনে পড়বে। কিন্তু তখন আর
দীর্ঘশ্বাসও আসেবে না।

এতদূর পর্যন্ত বলার পর ছেলেটি দেখলো
প্রেমিকা ছলছল চোখ নিয়ে
ছেলেটির দিকে তাকিয়ে আছে।মুখে কোন কথা নেই। ছেলেটি ও চুপচাপ।
একটু পর প্রেমিকা বললোঃ
"তবে কি সেখানেই সব শেষ?ছেলেটি বলল, না।

কোন এক মন খারাপের রাতে তোমার
স্বামী নাক ডেকে ঘুমুবে। আমার বউও ব্যস্ত
থাকবে নিজের ঘুম রাজ্যে।শুধু তোমার আর আমার চোখে ঘুম থাকবেনা। সেদিন অতীত আমাদের দুজনকে নিঃশ্বদে কাঁদাবে। সৃষ্টিকর্তা ব্যাতিত যে কান্নার কথা কেউ জানবেনা

কাছের মানুষকে সময় দিন, স্মার্টফোনকে না

আমার স্ত্রী প্রাইমারি টিচার। রাতে ডিনারের শেষে আমার স্ত্রী ক্লাস ওয়ানের খাতা দেখছিলো। খাতা দেখতে দেখতে আমার মিসেসের চোখ দুটো ছলছল করে করে উঠেছে।
আমি কাছেই বসে টিভি দেখছিলাম। মিসেসের দিকে নজর যাওয়াতে দেখি আমার স্ত্রী চোখের জল মুছছে।
আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে কাঁদছো কেনো!!!
আমার মিসেস বললো.. ক্লাস ওয়ানের পরীক্ষায় এক রচনা এসেছে। "my wish"
--তো কাঁদার কি হলো!!
--সব খাতা গুলো দেখলাম। সবাই ভালো লিখেছে। --তো?
--একজনের খাতা দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। চোখ দুটো জলে ভরে উঠলো।
--আচ্ছা বলো কি লিখেছে ওই বেবি।
মিসেস রচনা পড়তে শুরু করলো.....
আমার ইচ্ছা আমি স্মার্টফোন হবো।
আমার বাবা মা স্মার্টফোন খুব ভালোবাসে। কিন্তু আমায় ভালোবাসে না।
যেখানে যায় আমার বাবা তার স্মার্টফোন সঙ্গে করে নিয়ে যায়। কিন্তু আমায় সঙ্গে করে নিয়ে যায় না।
ফোন এলে আমার মা তাড়াতাড়ি গিয়ে ফোন ধরে। কিন্তু আমি কান্না করলেও আমার কাছে আসে না মা।
আমার বাবা স্মার্টফোনে গেম খেলে। কিন্তু আমার সাথে খেলে না। আমি বাবাকে বলি আমায় একটু কোলে নাও না বাবা। কিন্তু বাবা আমায় কোলে নেয় না। স্মার্টফোনটাই সব সময় বাবার কোলে থাকে।
মা কে গিয়ে বলি, মা মা চলো না আমার সাথে একটু খেলবে। কিন্তু আমার মা আমার উপর রেগে গিয়ে বলে, দেখতে পাচ্ছিস না আমি এখন তোর মামার সাথে চ্যাটে কথা বলছি।
আমার বাবা মা রোজ স্মার্টফোন টাকে যত্ন করে মোছামুছি করে। কিন্তু আমায় একটুও আদর করে না।
আমার মা যখন বাবার সাথে ফোনে কথা বলে তখন মা স্মার্টফোনে বাবাকে পাপ্পি দেয়। কিন্তু আমায় একদিনও পাপ্পি দেয়নি মা।
আমার বাবা মাথার কাছে স্মার্টফোন নিয়ে ঘুমায়। কিন্তু আমায় কোনোদিনও জড়িয়ে ধরে ঘুমায় না।
আমার মা রোজ চার পাঁচবার স্মার্টফোন টিকে চার্জ দেয়। কিন্তু মাঝে মাঝে আমায় খাবার দিতে ভুলে যায় মা। কিন্তু স্মার্টফোন টিকে চার্জ দিতে ভুলে না আমার মা।
তাই আমি স্মার্টফোন হবো।
আমার ইচ্ছা স্মার্টফোন হয়ে বাবা মায়ের সাথে সবসময় থাকতে চাই।
.
স্ত্রীর মুখে লেখাটি শোনার পর আমি খুব ইমোশনাল হয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম..
--কে লিখেছে এই রচনাটি ?
--আমাদের সন্তান।
আমি স্তব্ধ হয়ে বসে রইলাম কিছুক্ষন। অনেক কিছুই ভেবে চলেছি। আমার আর আমার স্ত্রীর চোখে তখন জলের ধারা নামতে শুরু করেছে।

দৃষ্টিভঙ্গি বদলাও, বদলে যাবে সব

আজ থেকে ১০০ বছর আগের কথা। এক বিখ্যাত জুতোর কোম্পানি তাদের এক প্রতিনিধিকে আফ্রিকায় পাঠিয়েছিলেন সেখানে জুতো বিক্রির কেমন সম্ভাবনা আছে তা দেখার জন্য। ভদ্রলোক আফ্রিকায় গিয়ে সবকিছু দেখে আসলেন। সেখান থেকে ফিরে আসার পর কোম্পানিকে জানালেন, ‘আফ্রিকায় জুতো বিক্রি সম্ভব নয়। কারণ ওখানে কেউ জুতোই পরে না।’
আরেকটা কোম্পানি তাদের প্রতিনিধিকে ঠিক একই উদ্দেশ্যে আফ্রিকায় পাঠিয়েছিলেন। ওই প্রতিনিধি আফ্রিকা থেকে ঘুরে আসার পর তার কোম্পানিকে জানান, ‘ওখানে জুতো বিক্রির প্রচুর সম্ভাবনা আছে। কারণ ওখানে কোনো জুতোর কোম্পানি নেই, তাই সেখানে কেউ জুতাও পরে না। ওখানকার মানুষদেরকে যদি জুতো পরার উপকারিতা সম্পর্কে বোঝানো যায়, তাহলে আমাদের জন্য সেটা খুবই লাভজনক হবে।’
উপরের দুটি ঘটনা একই, কিন্তু দু’জন প্রতিনিধির দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, সাফল্যের মধ্যেও আকাশ-পাতাল পার্থক্য। ব্যক্তি হিসেবে আপনি নিজেকে এবং আপনার আশপাশের জগতকে কিভাবে দেখছেন আর ব্যাখ্যা করছেন— তার উপর নির্ভর করছে আপনার সাফল্য বা ব্যর্থতা।
সাফল্য পেতে হলে আপনার ভিতরটা অর্থাৎ আপনার মানসিকতা এমন হতে হবে যেন তা কঠিন বাধা-বিপত্তির সময়ও প্রশান্ত থাকতে পারে। একটু খেয়াল করে দেখবেন, যখন আপনার মন-মেজাজ খারাপ থাকে, তখন প্রিয়জনের সান্নিধ্যও অসহ্য লাগে। আবার যখন মন খুব ভালো থাকে, তখন প্রিয়জন আপনার সাথে রাগ করলেও তা মিষ্টি মনে হয়।
ঠিক তেমনিভাবে আপনি যদি হাসি-খুশি, প্রশান্ত মন নিয়ে কোনো কাজ করেন, তাহলে জটিল কাজও আপনার কাছে ডাল-ভাত মনে হবে। আর যদি খিটখিটে-বদ মেজাজ নিয়ে কোনো সহজ কাজও করতে যান, তখন সেটাকে বাংলাদেশ ফুটবল দলের বিশ্বকাপ জয়ের মতোই কঠিন মনে হবে।
একটা কথা সবসময় মনে রাখবেন যেটা মনোবিজ্ঞানীরা বলে থাকেন, “যখন বাইরের জগতের নানারকম ঘটনায় আপনার মন বিচলিত হবে, তখন বাইরের জগতকে পাল্টাবার চেষ্টা না করে চেষ্টা করুন আপনার অন্তর্জগতকে পাল্টাতে, আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টাতে।”